“সুরক্ষা অটিজম এন্ড নিউরো ডিজঅর্ডার সেন্টার" বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের জন্য একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠান টির কার্যক্রম শুরু হয় ১ জানুয়ারী ২০২৬ এবং উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয় ৯ জানুয়ারী ২০২৬ । এই প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা সিনিয়র কনসালটেন্ট এ কে এম সামসুজ্জামান। দীর্ঘ ৩২ বছর বছর যাবৎ শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ হিসাবে শিশুদের চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছেন। বর্তমানে শিশুদের মাঝে নিউরোলজিক্যাল ডিজ অর্ডারের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই যাচ্ছে। বিশেষ করে অটিজম সেপকট্রাম ডিজ অর্ডারের সংখ্যা চোখে পড়ার মতো বৃদ্ধি পেয়েছে। অথচ এ ধরনের বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের চিকিৎসা সেবার সু-ব্যাবস্থা আমাদের দেশে নেই । গত কয়েক বছর ধরে কিছু থেরাপিষ্টদের উদ্দ্যেগে ঢাকায় বেশ কিছু থেরাপি সেন্টারের কার্যক্রম চলছে। এ ধরনের উদ্যোগ অবশ্যই প্রশংসার দাবী রাখে। সত্যিকার অর্থে এই ধরনের বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু এবং তাদের পিতা মাতারা খুবই অসহায়। এ কারনে পরিবারে দেখা যায় অশান্তি এবং কলহ বিবাদ। চিকিৎসা সেবার এই সেক্টর টি দারুন ভাবে অবহেলিত, আরো বেশী উদ্বেগের বিষয় হলো আমাদের দেশের চিকৎসকদের মাঝেও মনে হয় এ বিষয়ে রয়েছে সচেতনতার অভাব। আর এ কারনেই “সুরক্ষা অটিজম এন্ড নিউরো ডিজঅর্ডার সেন্টার” এ বিজ্ঞান সম্মত একটি “মাল্টি ডিসিপ্লিনারি” টিম এর মাধ্যমে এই বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের জন্য সকল প্রকার থেরাপি সেবা, স্কুলিং এবং প্রি-স্কুলিং ব্যবস্থা করা হয়েছে ।
এই সেন্টারে সেবা প্রদান করবেন আমাদের মাল্টিডিসিপ্লিনারি টিমের অভিজ্ঞ সদস্য গন:
০১. পেডিয়াট্রিসিয়ান
০২. পেডিয়াট্রিক নিউরোলজিস্ট
০৩. চিলড্রেন ফিজিশিয়ান
০৪. স্পিচ এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপিস্ট
০৫. অকুপেশনাল থেরাপিস্ট
০৬. সাইকোলজিস্ট
০৭.ফিজিওথেরাপিস্ট
০৮. ডেভেলপমেন্টাল থেরাপিস্ট
০৯. স্পেশাল এডুকেটর
এই সেন্টারে থাকবে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন একটি শিশুর প্রয়োজনীয় সকল প্রকার সেবা। নিম্নে বর্ণিত সকল প্রকার সেবা ও সুবিধা এই সেন্টারে পাওয়া যাবে।
০১. আরএনডিএ
০২. স্পেশাল স্কুল এন্ড স্কুল বেসড থেরাপি
০৩.আউট ডোর বেসড থেরাপি সার্ভিসেস
০৪. প্রি-ইনক্লসিভ এডুকেশন
০৫. স্পেশাল স্কুল
০৬. প্যারেন্টস ট্রেনিং
থেরাপি সেবা সমূহ :
০১. অকুপেশনাল থেরাপি
০২. স্পীচ এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপি
০৩. ফিজিওথেরাপি
০৪. প্লে থেরাপি
০৫. মিউজিক থেরাপি
০৬ আর্ট থেরাপি
০৭. হাইড্রো (সাতার) থেরাপি
ভিশন:
চিকিৎসা সেবার এই বিভাগে লোক বল বা মানব সম্পদের দারুন অভাব রয়েছে । এই অভাব দূর করনের জন্য আমাদের প্রতিষ্ঠানের পরিকল্পনা রয়েছে, বিভিন্ন বিভাগে সার্টিফিকেট কোর্স পরিচালনা, গবেষনা এবং মানব সম্পদের উন্নয়ন। * রিহ্যাবিলিটেশন প্রোগ্রাম, ভোকেশনাল টেনিং ইত্যাদি । এই ধরনের সেন্টার গুলোতে সেবা নিতে আসা অভিভাবকদের মাঝে আরো একটি অভিযোগ হলো সেবা গ্রহন অনেক ব্যয় বহুল ।
যেহেতু বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন একটি শিশুকে থেরাপি কিংবা এডুকেশন দিতে হলে একজন শিশুর বিপরীতে একজন থেরাপিস্ট কে সেবা দিতে হয়। অর্থাৎ ১ঃ১ পদ্ধতিতে সেবা দিতে হয়, সেহেতু খরচটা স্বাভাবিক স্কুলের তুলনায় একটু বেশী হয় ।
বর্তমানে সরকারি এবং বিভিন্ন এনজিও এর সাহায্যপুষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে যে সেবা প্রদান করা হয় সে সব প্রতিষ্ঠান গুলোতে রোগীরে চাপ এত বেশী যে সেবার মান ধরে রাখা সম্ভব হয় না। যে শিশুটির সপ্তাহে কমপক্ষে ৩ বা ৫দিন থেরাপি প্রয়োজন হয়, রোগীর সংখ্যা অত্যাধিক হওয়ার কারনে সেখানে শিশুকে ২ থেকে ৩ মাস পর একটি থেরাপির জন্য সিরিয়াল দেওয়া হয়, অনেক ক্ষেত্রেই সিরিয়াল পাওয়া যায় না । সার্বিক পরিস্থিতিতি বিবেচনায় নিয়ে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের জন্য কম খরচে মান সম্মত সেবা প্রদানে আমাদের প্রতিষ্ঠান প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ।
আমরা সকলের দোয়া ও আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি।